পোস্টগুলি

2021 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রাণী প্রেমের নামে আমাদের হত্যা করা হয়েছে - মলি (২০১৭ - ১১ জুন, ২০২০) এবং হুলো

ছবি
গত মে মাসে (২০২০) এর শেষের দিক থেকে কি মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে, এবং এখনও হচ্ছে... ফেব্রুয়ারি মাসে আমি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময়ই আমাদের বাসায় যিনি কাজ করতেন, তার ছেলের একটি সমস্যার কারণে তাকে দেশে যেতে হয়। এরপর লকডাউন এর কারণে তিনি আর ফিরে আসতে পারছিলেন না। আমার মা সিবিজি রুগী। আমার বড় বোন লন্ডনে থাকেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন এই অবস্থায় মা আমার খালার বাসায় থাকলেই ভালো হয়।   আমার দুটি পোষা বেড়ালের মধ্যে হুলো এবং অপরটির নাম ছিলো মলি। একা বাসায়  অসুস্থ অবস্থায় আমি ওদের দেখাশোনা করতে পারছিলাম না। করনা কালীন একা বাড়িতে অসুস্থা অবস্থায় আমার প্রচন্ড প্যানিক ও হচ্ছিলো। আমি মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম যে আমাদের বাসায় যিনি কাজ করতেন, তিনি আর জীবিত ফিরে আসবেন না। রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকবে, দুর্ভিক্ষ হবে, ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাবে, মানুষ তখন ঘরে ঘরে ধুকে ডাকাতি করবে। এমন একটা ধারণা অনেকেরই হয়েছিলো। প্যানিক থেকে প্রায় আমার নাক থেকে রক্ত পড়ত। দুশ্চিন্তা থেকে পেটে ব্যথা প্রচন্ড বেড়ে গিয়েছিলো। বেশী টেনশান হতো হুলো মলিকে নিয়ে। আমি ওদের ঠিক মতন দেখাশোনা করতে পারছিলাম না, ওরা যদ

৭টি মাস্টার কম্পজিশন যা আপনার অবশ্যই চেষ্টা করা উচিৎ একজন বিগিনার ফটোগ্রাফার হিসেবে

ছবি
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে কিংবা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, কিন্তু কিসের ছবি তুলবেন, আর কিভাবে তুলবেন, এই শংকায় থাকেন তবে লেখাটি আপনার জন্য। লেখাটি পড়ে ৭ দিন প্রাক্টিস করলেই আপনি পেতে পারেন অসাধারণ ফলাফল. ৭ দিনে ফটোগ্রাফী মানে এই না, যে ৭ দিন পরেই আপনি অসাধারণ ফটোগ্রাফার হয়ে যাবেন।  ৭ দিনের ফটোগ্রাফিতে আমরা ফটোগ্রাফির ৭ টি মৌলিক কম্পজিশন নিয়ে কথা বলব। কম্পজিশন কী ? ছোট বেলায় গরুর রচনা পড়িনি, এমন কাউকে খুজে পাওয়া কিছুটা দুষ্কর অন্তত যারা এই ব্লগ টি পড়ছেন। গরু রচনায় যেমন পড়েছিলাম , গরুর চারটি পা আছে , একটি মাথায় দুটি কান,দুটি চোখ আছে , এবং একটি লেজ আছে। কম্পোজিসন হল রচনা। রচনায় শিল্প গুন সর্বাধিক।শিল্পের কোন কাজের হতে পারে কোন লেখা, গান, কিংবা ছবি বা সিনেমা,আপেক্ষিক বস্তু এবং উপাদান গুলোর স্থান নির্ধারণ এবং বর্ণনা করা। এখন আসি ফটোগ্রাফির কম্পজিশনে। কম্পজিশন ব্যাপার টা বুঝতে পারলে ,ফটোগ্রাফিক কম্পোজিশনটা আমাদের কাছে অনেক সোজা হয়ে আসবে। একটি ছবিকে কম্পোজিং করা বলতে বুঝায়, আপনার আইডিয়া কিংবা আর্ট এর উপদান গুলোকে এমন ভাবে সাজানো যেন আপনি যা আপনার ছবির মধ্যমে বুঝাতে চান তা সঠিক ভা

পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি ১ম লকডাউন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ২০২১ বিজয়ী - ক্যামেরা শ্রেণী

ছবি
  লকডাউন ,  ২০২০ থেকে আমাদের জীবন যাত্রায় একটি নুতুন শব্দ।নুতুন আশা নিয়ে ২০২১ আসলে ও বদলায় নি এই বিভীষিকা। এই বন্দী জীবনের একঘেয়ামীর মাঝে থেকে বের হওয়ার জন্য আমাদের একটি ছোট প্রচেষ্টা ছিল এই প্রতিযোগিতা । প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সকলকেই জানাই তাই আন্তরিক শুভেচ্ছা । আমাদের প্রচেষ্টায় যতটুকু সম্ভব ছিল,সেই ভাবে আমরা আয়োজনের চেষ্টা করেছি ।তাই যদি কোন ভুল ক্রটি থাকে ক্ষমাশীল দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি। এবং আমাদের আগামীর পথচলায় আপনাদের সকলের আন্তরিকতা এবং পরামর্শ আমরা সব সময় আশা করি। তবে কে হল বিজয়ী?  "ঘরে বসে ছবি তুলব" এই স্লোগানে ছিল আমদের প্রতিযোগিতা। অসম্ভব সুন্দর  সুন্দর  ছবি জমা হয় আমাদের কাছে ,সেখানে থেকে আমাদের বিচারক গণের মাধ্যমে সেরা ১৩ ছবি বের করি ,দেখে নিতে পারেন, আমাদের সেরা ১৩ টি ছবি ক্যামেরা ক্যাটেগরিতে ।   এবং এখান থেকে আমাদের বিচারকের পছন্দে যিনি বিজয়ী হয়েছেন তিনি হলেন:   D. M Debasis আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন অতি শীঘ্রই আপনার পুরুষ্কার আপনার কাছে পৌছে যাবে #পিক্সেলেন্ট_লকডাউন_প্রতিযোগিতা #ক্যামেরা_শ্রেণী ID : PP1097 ''Eyes of curiosity'' D

২১ শে ফেব্রুয়ারি - এক শোকার্ত মায়ের আর্তি

ছবি
২১ শে ফেব্রুয়ারি - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - এক শোকার্ত মায়ের আর্তি ১৯৫২ সালের একটি রক্ত ঝরা দিন। তৎকালিন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী অস্বীকার করল পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে।তারা আইন করলো উর্দুই হবে দেশের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা।পূর্ব পাকিস্তানিরা গর্জে উঠলো এই অসম আইনের রিরুদ্ধে। আরম্ভ করল প্রবল আন্দোলন যা ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত হয়ে রইলো।  ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে এই আন্দোলনকে থামিয়ে দেবার জন্য পাকিস্তান সরকার গুলি চালানো আন্দোলনকারী ছাত্রদের মিছিলের উপর।পুলিশের গুলিতে ঝরে পড়লো অনেক তাজা প্রাণ। কিন্তু আন্দোলনকে স্তব্ধ করা গেলনা। আরো জোরদার আন্দোলনের মুখে অবশেষে বাংলাভাষা অর্জন করে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা এবং অবশেষে ২১সে ফেবরুয়ারী গৌরবান্বিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রূপে। কিন্তু দিনটি স্মৃতির মনিকোঠায়  চিহ্নিত হয়ে রইল কতো সন্তানহারা মায়ের ক্রন্দনের স্মৃতি নিয়ে, কতো নারীর স্বামী হারা হাহাকারের বিক্ষুব্ধ হাওয়া ধারণ করে।

নির্ভয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি (A Tribute to Nirbhaya - India's daughter)

ছবি
নির্ভয়া  (Nirbhya) একটি ভারতীয় শব্দ যার অর্থ নির্ভীক কিংবা সাহসী। এই শব্দটি প্রয়োগ করা হয় ভয়কে জয় করা কোনো সাহসী নারীর উপর। এই শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ২০১২ সালে দিল্লিতে সংঘটিত হওয়া গনধর্ষণ ঘটনায় একজন তরুণীর সকরুণ মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মেয়েটিকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তার সাহসী সংগ্রামের জন্য।  ভারতীয় আইন মোতাবেক কোনো ধর্ষণ কবলিত মহিলার প্রকৃত নাম কোনো সংবাদ মাধ্যমের কাছে প্রাথমিক ভাবে প্রকাশ করা আইন বিরোধী  কর্ম।এই কারণে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বিভিন্ন ছদ্ম নামে মেয়েটিকে উল্লেখ করে খবর প্রচারিত করেছে।উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত নামগুলি হচ্ছে ---১.জাগ্রতি(সতর্কতা), ২.জয়তি(অগ্নিশিখা),ডেমিনি(বজ্রাঘাত) এবং দিল্লির সাহসীহৃদয়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, ২০১২ সালে দক্ষিন দিল্লিতে সংঘটিত হয় এক মারাত্মক গণধর্ষণের ঘটনা। কথিত সালের ১৬ই ডিসেম্বর ২৩ বৎসর বয়সী একজন ফিজিওথেরাপিস্ট ইন্টার্ন তরুণী চলছিল একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাসে চড়ে। সাথে ছিল তার বন্ধু। সময় সন্ধ্যা সমাগত। একে একে নেমে যায় বাসের সব যাত্রীরা।থাকে শুধু দুজন। উল্লেখিত তরুণী আর তার বন্ধুটি।বাসটি এসে দাঁড়ায় একটি ন

Approved members list for #পিক্সেলেন্ট_লকডাউন_প্রতিযোগিতা

ছবি

😍😍 পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি লকডাউন কন্টেস্ট 😍😍

ছবি
😍😍 পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি লকডাউন কন্টেস্ট  😍😍 এই লকডাউনকে কাজে লাগান, ঘরে বসেই জিতে নিন আকর্ষণীয় পুরষ্কার (তিন হাজার টাকার!)! ডিজিটাল ক্যামেরা এবং মোবাইল শ্রেণীর বিজয়ীদের জন্যে থাকছে আলাদা আকর্ষণীয় পুরষ্কার! সকল অংশগ্রহনকারীর জন্যে থাকছে সারটিফিকেইট!  আপনি চাইলে উভয়  শ্রেণীতে অংশগ্রহন করতে পারবেন! প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের নিয়মঃ ১ । নীচের ফর্মটি পূরণ করুন। পূরণ করার পর আপনি একটা আইডি পাবেন। আইডিটি মনে রাখবেন।  ২ । ছবি জমা দিবেন পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি গ্রুপে পোস্ট করে -  Pixcellent Photography - পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি | Facebook ৪ । যেই ছবিটি প্রতিযোগিতার জন্যে জমা দিবেন, তা আপনার বাসা (ছাদ, বা বারান্দা) থেকে তুলতে হবে  ৫  | ছবির উপর আপনার পাওয়া আইডি, #পিক্সেলেন্ট_লকডাউন_প্রতিযোগিতা, ডিভাই-ইনফো, ফটোগ্রাফির তারিখ (DOP), "#ক্যামেরা_শ্রেণী" বা "#মোবাইল_শ্রেণী" উল্লেখিত থাকতে হবে ৬ । আপনাকে গ্রুপে আরও দশজন সদস্যকে অ্যাড করতে হবে ৭ । আমাদের গ্রুপ লিংক আপনার টাইমলাইন  এ শেয়ার করতে হবে পাব্লিকলি ৮ । আমাদের পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি ব্লগে সাবস্ক্রাইব করতে (গ্রাহক হতে) হবে:

বেড়ালকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিলো এক বিবেকহীন প্রতিহিংসাপরায়ণ বিকৃত মস্তিস্কের প্রাণী-কল্যাণ কর্মী

ছবি
বেড়ালকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিলো এক বিবেকহীন প্রতিহিংসাপরায়ণ বিকৃত মস্তিস্কের প্রাণী-কল্যাণ কর্মী! আর কোন আশা নেই। রেস্ট ইন পিস হুলো মলি।  03-April-2021 খবর পেলাম আমার হুলো ও আর বেঁচে নেই। গত বছর ১১ জুলাই মলি মারা গিয়েছিলো। হুলো কার কাছে ছিলো জানিনা। কিভাবে মারা গেলো জানিনা। কবে মারা গিয়েছে তাও জানি না। তাকে কি মাটি দেয়া হয়েছিলো, না ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়েছিলো তাও জানি না।  বহু মাস ধরে তাকে লোকেইট করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, বারবার আমাকে ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করছিলাম। সে কখনও অসুস্থ হলে তাকে যেন শেষ একবার অন্তত আমাকে দেখতে দেয়া হয় - অনেক অনুরোধ করেছিলাম।  একমাত্র এসিএসবির (ACSB - Animal Care Society Bangladesh) গ্রুপ অ্যাডমিন সারা শামস (পিতা শামস-ই-তাব্রিজ), আই-ইউ-বির আন্ডারগ্রেড ছাত্রী, জানতো হুলো কোথায় - কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রশের কারণে আমার কাছ থেকে হুলো কার কাছে ছিলো, সেই তথ্য গোপন রেখেছে। ডিবি থানায় ডাকিয়ে হুমকি দিয়েছে যেন তাদের অপ কর্ম সংক্রান্ত কোন লেখা-লেখি না করি। আমি কোন লেখা-লেখি করা, গ্রুপে পোস্ট দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম - কেবল হুলোকে ফিরে পাওয়ার আশায়। Sarah Shams