পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রাণী প্রেমের নামে আমাদের হত্যা করা হয়েছে - মলি (২০১৭ - ১১ জুন, ২০২০) এবং হুলো

ছবি
গত মে মাসের শেষের দিক থেকে কি মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে, এবং এখনও হচ্ছে। আশা করছি আমি আর কি পদক্ষেপ নিতে পারি তা জানিয়ে আমাকে সাহায্য করবেন। আমার দুটি পোষা বেড়ালের মধ্যে হুলো এবং অপরটির নাম ছিলো মলি। হঠাৎ করে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায়, আমার পক্ষে ওদের লালন-পালন কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এই অবস্থায় আমি কুকুর-বিড়াল লালন-পালনকারী বিভিন্ন গ্রুপে আমার বেড়াল দুটোকে নিয়ে সাহায্য করার ব্যাপারে ফেইসবুকে পোস্ট দিতে থাকি (এপ্রিল ২, ২০২০ তারিখ থেকে)। এই ব্যাপারে আমি “কেয়ার ফর পজ”, ডাক্তার সিয়ামাক, ডাক্তার লুতফুর এবং বিভিন্ন বন্ধু বান্ধবদের সাহায্য প্রার্থনা করি। এক মাসেরও বেশী সময় কারো সহায়তা না পেয়ে আমি অবশেষে এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেইসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে পুনরায় পোস্ট দেয়া শুরু করলাম (২৩ মে, ২০২০ তারিখে)। আমি বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ছিলাম, এবং বেড়াল দুটি ও অসুস্থ হয়ে পড়বে এই আশঙ্কা করছিলাম। স্বর্ণের কানের দুলের কথা এবং একটি বেদেশি বেড়াল এর ছবি দেখে আমার পোস্টটি অনেকের নজরে আসে। একটি গ্রুপে আমার পোস্টটি দেখে অথৈ নামের একটি মেয়ে তাদের নেয়ার ব্যাপারে আগ্

নির্ভয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি (A Tribute to Nirbhaya - India's daughter)

ছবি
নির্ভয়া  (Nirbhya) একটি ভারতীয় শব্দ যার অর্থ নির্ভীক কিংবা সাহসী। এই শব্দটি প্রয়োগ করা হয় ভয়কে জয় করা কোনো সাহসী নারীর উপর। এই শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ২০১২ সালে দিল্লিতে সংঘটিত হওয়া গনধর্ষণ ঘটনায় একজন তরুণীর সকরুণ মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মেয়েটিকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তার সাহসী সংগ্রামের জন্য।  ভারতীয় আইন মোতাবেক কোনো ধর্ষণ কবলিত মহিলার প্রকৃত নাম কোনো সংবাদ মাধ্যমের কাছে প্রাথমিক ভাবে প্রকাশ করা আইন বিরোধী  কর্ম।এই কারণে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বিভিন্ন ছদ্ম নামে মেয়েটিকে উল্লেখ করে খবর প্রচারিত করেছে।উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত নামগুলি হচ্ছে ---১.জাগ্রতি(সতর্কতা), ২.জয়তি(অগ্নিশিখা),ডেমিনি(বজ্রাঘাত) এবং দিল্লির সাহসীহৃদয়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, ২০১২ সালে দক্ষিন দিল্লিতে সংঘটিত হয় এক মারাত্মক গণধর্ষণের ঘটনা। কথিত সালের ১৬ই ডিসেম্বর ২৩ বৎসর বয়সী একজন ফিজিওথেরাপিস্ট ইন্টার্ন তরুণী চলছিল একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাসে চড়ে। সাথে ছিল তার বন্ধু। সময় সন্ধ্যা সমাগত। একে একে নেমে যায় বাসের সব যাত্রীরা।থাকে শুধু দুজন। উল্লেখিত তরুণী আর তার বন্ধুটি।বাসটি এসে দাঁড়ায় একটি ন

Approved members list for #পিক্সেলেন্ট_লকডাউন_প্রতিযোগিতা

ছবি

😍😍 পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি লকডাউন কন্টেস্ট 😍😍

ছবি
😍😍 পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি লকডাউন কন্টেস্ট  😍😍 এই লকডাউনকে কাজে লাগান, ঘরে বসেই জিতে নিন আকর্ষণীয় পুরষ্কার (তিন হাজার টাকার!)! ডিজিটাল ক্যামেরা এবং মোবাইল শ্রেণীর বিজয়ীদের জন্যে থাকছে আলাদা আকর্ষণীয় পুরষ্কার! সকল অংশগ্রহনকারীর জন্যে থাকছে সারটিফিকেইট!  আপনি চাইলে উভয়  শ্রেণীতে অংশগ্রহন করতে পারবেন! প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের নিয়মঃ ১ । নীচের ফর্মটি পূরণ করুন। পূরণ করার পর আপনি একটা আইডি পাবেন। আইডিটি মনে রাখবেন।  ২ । ছবি জমা দিবেন পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি গ্রুপে পোস্ট করে -  Pixcellent Photography - পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি | Facebook ৪ । যেই ছবিটি প্রতিযোগিতার জন্যে জমা দিবেন, তা আপনার বাসা (ছাদ, বা বারান্দা) থেকে তুলতে হবে  ৫  | ছবির উপর আপনার পাওয়া আইডি, #পিক্সেলেন্ট_লকডাউন_প্রতিযোগিতা, ডিভাই-ইনফো, ফটোগ্রাফির তারিখ (DOP), "#ক্যামেরা_শ্রেণী" বা "#মোবাইল_শ্রেণী" উল্লেখিত থাকতে হবে ৬ । আপনাকে গ্রুপে আরও দশজন সদস্যকে অ্যাড করতে হবে ৭ । আমাদের গ্রুপ লিংক আপনার টাইমলাইন  এ শেয়ার করতে হবে পাব্লিকলি ৮ । আমাদের পিক্সেলেন্ট ফটোগ্রাফি ব্লগে সাবস্ক্রাইব করতে (গ্রাহক হতে) হবে:

বেড়ালকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিলো এক বিবেকহীন প্রতিহিংসাপরায়ণ বিকৃত মস্তিস্কের প্রাণী-কল্যাণ কর্মী

ছবি
বেড়ালকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিলো এক বিবেকহীন প্রতিহিংসাপরায়ণ বিকৃত মস্তিস্কের প্রাণী-কল্যাণ কর্মী! আর কোন আশা নেই। রেস্ট ইন পিস হুলো মলি।  03-April-2021 খবর পেলাম আমার হুলো ও আর বেঁচে নেই। গত বছর ১১ জুলাই মলি মারা গিয়েছিলো। হুলো কার কাছে ছিলো জানিনা। কিভাবে মারা গেলো জানিনা। কবে মারা গিয়েছে তাও জানি না। তাকে কি মাটি দেয়া হয়েছিলো, না ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়েছিলো তাও জানি না।  বহু মাস ধরে তাকে লোকেইট করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, বারবার আমাকে ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করছিলাম। সে কখনও অসুস্থ হলে তাকে যেন শেষ একবার অন্তত আমাকে দেখতে দেয়া হয় - অনেক অনুরোধ করেছিলাম।  একমাত্র এসিএসবির (ACSB - Animal Care Society Bangladesh) গ্রুপ অ্যাডমিন সারা শামস (পিতা শামস-ই-তাব্রিজ), আই-ইউ-বির আন্ডারগ্রেড ছাত্রী, জানতো হুলো কোথায় - কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রশের কারণে আমার কাছ থেকে হুলো কার কাছে ছিলো, সেই তথ্য গোপন রেখেছে। ডিবি থানায় ডাকিয়ে হুমকি দিয়েছে যেন তাদের অপ কর্ম সংক্রান্ত কোন লেখা-লেখি না করি। আমি কোন লেখা-লেখি করা, গ্রুপে পোস্ট দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম - কেবল হুলোকে ফিরে পাওয়ার আশায়। Sarah Shams