পোস্টগুলি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রাণী প্রেমের নামে আমাদের হত্যা করা হয়েছে - মলি (২০১৭ - ১১ জুন, ২০২০) এবং হুলো

ছবি
গত মে মাসে (২০২০) এর শেষের দিক থেকে কি মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে, এবং এখনও হচ্ছে... ফেব্রুয়ারি মাসে আমি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময়ই আমাদের বাসায় যিনি কাজ করতেন, তার ছেলের একটি সমস্যার কারণে তাকে দেশে যেতে হয়। এরপর লকডাউন এর কারণে তিনি আর ফিরে আসতে পারছিলেন না। আমার মা সিবিজি রুগী। আমার বড় বোন লন্ডনে থাকেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন এই অবস্থায় মা আমার খালার বাসায় থাকলেই ভালো হয়।   আমার দুটি পোষা বেড়ালের মধ্যে হুলো এবং অপরটির নাম ছিলো মলি। একা বাসায়  অসুস্থ অবস্থায় আমি ওদের দেখাশোনা করতে পারছিলাম না। করনা কালীন একা বাড়িতে অসুস্থা অবস্থায় আমার প্রচন্ড প্যানিক ও হচ্ছিলো। আমি মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম যে আমাদের বাসায় যিনি কাজ করতেন, তিনি আর জীবিত ফিরে আসবেন না। রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকবে, দুর্ভিক্ষ হবে, ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাবে, মানুষ তখন ঘরে ঘরে ধুকে ডাকাতি করবে। এমন একটা ধারণা অনেকেরই হয়েছিলো। প্যানিক থেকে প্রায় আমার নাক থেকে রক্ত পড়ত। দুশ্চিন্তা থেকে পেটে ব্যথা প্রচন্ড বেড়ে গিয়েছিলো। বেশী টেনশান হতো হুলো মলিকে নিয়ে। আমি ওদের ঠিক মতন দেখাশোনা করতে পারছিলাম না, ওরা যদ

২১ শে ফেব্রুয়ারি - এক শোকার্ত মায়ের আর্তি

ছবি
২১ শে ফেব্রুয়ারি - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - এক শোকার্ত মায়ের আর্তি ১৯৫২ সালের একটি রক্ত ঝরা দিন। তৎকালিন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী অস্বীকার করল পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে।তারা আইন করলো উর্দুই হবে দেশের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা।পূর্ব পাকিস্তানিরা গর্জে উঠলো এই অসম আইনের রিরুদ্ধে। আরম্ভ করল প্রবল আন্দোলন যা ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত হয়ে রইলো।  ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে এই আন্দোলনকে থামিয়ে দেবার জন্য পাকিস্তান সরকার গুলি চালানো আন্দোলনকারী ছাত্রদের মিছিলের উপর।পুলিশের গুলিতে ঝরে পড়লো অনেক তাজা প্রাণ। কিন্তু আন্দোলনকে স্তব্ধ করা গেলনা। আরো জোরদার আন্দোলনের মুখে অবশেষে বাংলাভাষা অর্জন করে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা এবং অবশেষে ২১সে ফেবরুয়ারী গৌরবান্বিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রূপে। কিন্তু দিনটি স্মৃতির মনিকোঠায়  চিহ্নিত হয়ে রইল কতো সন্তানহারা মায়ের ক্রন্দনের স্মৃতি নিয়ে, কতো নারীর স্বামী হারা হাহাকারের বিক্ষুব্ধ হাওয়া ধারণ করে।